তেলাপিয়া মাছের আধুনিক চাষ পদ্ধতি ও বৈজ্ঞানিক গবেষণা

বর্তমান বিশ্বে তেলাপিয়া মাছ জলজ মুরগি হিসেবে বা Aquatic Chicken নামে ব্যাপক পরিচিত। কারণ তেলাপিয়া মাছ অতি দ্রুত বৃদ্ধি পায় প্রতিকূল পরিবেশের টিকে থাকার ক্ষমতাও অনেক বেশি  এবং


তেলাপিয়া-মাছের-বৈজ্ঞানিক-চাষ-পদ্ধতি-ও-গবেষণা

তেলাপিয়া মাছে প্রোটিনের পরিমাণ অনেক বেশি থাকায় চাষিরা এই মাছ বেশি পছন্দ করে থাকে, বিশেষ করে গিফট (GIFT  Ganetically Imoroved Farmed Tilapia ) জাতের উদ্ভাবন মাছ চাষীদের ইতিহাসে একটি অন্যতম মাছ  চাষ।

পেজ সূচিপত্রঃ তেলাপিয়া মাছের আধুনিক চাষ পদ্ধতি ও বৈজ্ঞানিক গবেষণা

তেলাপিয়া মাছের আধুনিক চাষ পদ্ধতি ও বৈজ্ঞানিক গবেষণা

বর্তমান বিশ্বের তেলাপিয়া মাছ জলজ মুরগি হিসেবে বা Aquatic Chicken নামে ব্যাপক পরিচিত। কারণ তেলাপিয়া মাছ অতি দ্রুত এবং কম খরচে বাজারজাত করা যায় যাতে করে চাষিরা এই মাছ চাষ করে লাভবান হতে পারে এবং এই মাস যে কোন পরিবেশে টিকে থাকতে সক্ষম যার ফলে চাষীদের এই মাছ চাষ করতে কোন সমস্যার ভিতরে পড়তে হয় না।

সাধারণত অন্যান্য মাছের থেকে তেলাপিয়া মাছ মাছের প্রোটিনের পরিমাণ একটু বেশি থাকে যার কারণে ও সবার কাছে তেলাপিয়া মাছ অনেক জনপ্রিয় একটি মাছ হিসেবে পরিচিত। যার কারনে বিজ্ঞানীরা অনেক গবেষণা করে তেলাপিয়ার একটি নতুন জাত এনেছে (GIFT Ganeitically Imroved Farmed Tilapia) 

এই যাতে তেলাপিয়া টা উদ্ভাবন হবার পর থেকে তেলাপিয়া মাছ চাষীদের জন্য একটি অবিশ্বাস্য উদ্ভাবন যার ফলে চাষিরা তাদের মাছ চাষকে আরো উন্নতির দিকে নিয়ে যেতে পেরেছে এতে করে যেমন চাষীদেরও লাভ হয়েছে তেমনি মাছ ক্রেতাদেরও অনেক উপকার হয়েছে কারণ তারা অল্প টাকাতে ভালো মানের ও প্রোটিন সমৃদ্ধ একটি মাছ  পেয়ে যাচ্ছে।

তেলাপিয়ার উন্নত জাতের বৈজ্ঞানিক গবেষণা

তেলাপিয়া মাছ মূলত আফ্রিকান মাছ হলেও এশিয়ারের এর ব্যাপক উন্নতি ও চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিজ্ঞানীরা দীর্ঘ গবেষণার মাধ্যমে ওয়ার্ল্ড ফিশ সেন্টারে বিভিন্ন দেশের তেলাপিয়ার সংক্রমণ ঘটিয়ে তেলাপিয়ার একটি নতুন জাত আবিষ্কার করেছে যার নাম হল মনোসেক্স Monosex Tilapia তেলাপিয়া। এই জাতের তেলাপিয়া মাছটি সাধারণ তেলাপিয়া মাছের থেকে ৬০-৭০% দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

তেলাপিয়া মাছ খাওয়ার উপকারিতা

তেলাপিয়া মাছ একটি জনপ্রিয় পুষ্টিকর খাবার। এতে সাধারণত প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ভিটামিন ও খনিজ উপাদান পাওয়া যায়, যার শরীরের জন্য অনেক উপকারী। নিয়মিত তেলাপিয়া মাছ খেলে শরীর সুস্থ ও শক্তিশালী থাকে নিচে কিছু তেলাপিয়া মাছ খাওয়ার প্রধান উপকারিতা বর্ণনা করা হলো

1.  শরীরের উচ্চ মানের প্রোটিন সরবরাহ করে
তেলাপিয়া মাছ উচ্চমানের প্রোটিনের ভালো উৎসব
  • এটি শরীরের পেশী গঠনে সাহায্য করে
  • কত দ্রুত সারাতে বেশি সহায়তা করে
  • শিশু ও কিশোরদের শারীরিক বৃদ্ধি ভালো হয়
2. হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে
  • আই লাভ ইউ মাসির ওমেগা - ৩ ফ্যাটি এসিড থাকে যা হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে 
  • রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে
  • খারাপ কোলেস্টর নাল কমাতে সাহায্য করে

তেলাপিয়া মাছ চাষের জন্য পুকুর নির্বাচন 

তেলাপিয়া মাছ চাষের প্রথম ধাপ হলো সঠিকভাবে পুকুর নির্বাচন করা। এবং স্থান নির্বাচন করতে হবে সাধারণত কুকুরটি খোলামেলা স্থানে হলে ভালো হয় এবং দৈনিক পুকুরে সবথেকে আট ঘন্টা রোদ লাগে এমন জায়গা হলে আরো ভালো হয়। কারণ রোদে পানিতে প্রাকৃতিক খাবার ফাইটোপ্লাংটন তৈরি হয় যা তেলাপিয়া মাছের জন্য অতি পুষ্টিকর খাবার।

 প্রথমবার মাছ চাষ করার পরে দ্বিতীয়বার মাছ চাষ করার আগে কুকুর ভালোভাবে শুকিয়ে নিতে হবে এতে করে উপরের তলদেশের মাটিতে জমে থাকা গ্যাস দূর হবে যাতে পরবর্তীতে পুকুরে নতুন ভাবে মাছ চাষ করলে উপরে যেন গ্যাসের বিক্রিয়া না হয় তাই দ্বিতীয় মাছ চাষের সময় অবশ্যই পুকুর ভালোভাবে শুকিয়ে নিতে হবে। 

পুকুরের জীবাণুর ধ্বংস করার জন্য অবশ্যই পুকুরে গুণাগুণ ভেদে প্রতি শতাংশে এক থেকে দুই কেজি হারে সুমন প্রয়োগ করতে হবে কারণ চুন পানির মান নিয়ন্ত্রণ করে ও জীবাণু ধ্বংস করে। যাতে পরবর্তীতে মাসে কোন জীবাণু না আক্রমণ করে। পুকুরে অবশ্যই  সার প্রয়োগ করতে হবে পুকুরে চুন

প্রয়োগের ৪-৫ দিন পর প্রতি শতাংশে ৪-৫ কেজি হারে গোবর সার অথবা ১০০ গ্রাম ইউরিয়া ও ৫০ গ্রাম টিএসপি সার দিতে হবে এতে পানিতে প্রাকৃতিক খাবার তৈরি হয় যা মাসে মাছের জন্য অনেক পুষ্টিকর। আর এগুলো যদি সঠিকভাবে প্রয়োগ করে মাছ চাষ করা হয় তাহলে সকলেই তেলাপিয়া মাছ চাষ করে অনেক লাভবান হতে পারবে।

তেলাপিয়ার পোনা মজুদ করা ও পরিবহন

তেলাপিয়া মাছের পোনা পানিতে ছাড়ার সঠিক সময় হচ্ছে যখন পানির কালার হালকা সবুজ হবে তখন পুকুরে তেলাপিয়া ছাড়ার উপযুক্ত সময় এতে পোনা কম ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং কম মারা যায় পোনা নির্বাচনের ক্ষেত্রে মনোসেক্স তেলাপিয়া ক্ষেত্রে অবশ্যই ভালো হ্যাচারি থেকে দেখে শুনে পোনা সংগ্রহ করতে হবে যাতে কোন খারাপ কোন নির্বাচন না করেন।


তেলাপিয়া-মাছের-পোনা-মজুদ-করার -পদ্ধতি-ও-পরিবহন-করার-পদ্ধতি

পুকুরে পোনা ছাড়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই পোনার ঘনত্ব ঠিক রেখে পোনা ছাড়তে হবে যাতে করে পুকুরের আয়তনের থেকে পোনার পরিমাণ বেশি না হয়। কারণ পুকুরে আয়তনের থেকে যদি পোনার ঘনত্ব বেশি হয়ে যায় তাহলে কোন ক্ষতিগ্রস্ত হবে যেমন তেমনই মাছের দ্রুত  বৃদ্ধিতে ব্যাঘাত ঘটবে এদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

তেলাপিয়ার একক এর ক্ষেত্রে সব থেকে ভালো হয় প্রতি শতাংশে ২৫০-৩০০ টি পোনা ছারলে এতে করে পোনার পরিমাণটা সঠিক থাকে কোন সমস্যা হবে না পুকুরে পোনা ছাড়ার আগে পানির তাপমাত্রা সঙ্গে
পোনার খপ খাইয়ে নিতে হবে। যাতে করে পোনা ছাড়ার পরে পানির সাথে কোন খাপ খাওয়াতে পারে। না হলে পোনা মারা যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

তেলাপিয়া মাছের খাদ্য ব্যবস্থা


সাধারণত মাছ চাষের খরচের ৬০ থেকে .৭০% খরচ হয় খাদ্যে। তাই এই খরচের কমাতে খাদ্যের অপচয় কমাতে হবে। মাছের সঠিক বৃদ্ধির জন্য প্রতিদিন মাসকে মাছকে সম্পূরক খাদ্য খাওয়াতে হবে এক্ষেত্রে প্রতিদিন মাছের ওজনের থেকে ৩-৪% হারে দৈনিক খাদ্য দিতে হবে। তবে ছোট অবস্থায় প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার একটু বেশি দিতে হবে এক্ষেত্রে ৩০ থেকে ৩৫% হবে খাদ্য দিতে হবে 

এবং বড় অবস্থায় ২০ থেকে ২৫% হবে প্রোটিনযুক্ত খাবার দিতে হবে। বর্তমানে ডুবন্ত খাবারের থেকে ভাসমান খাবারের চাহিদা অনেক বেশি কারণ এতে অপচয় কম হয় এবং মাছও সঠিক পরিমাণে খাওয়ার খেতে পারে কারণ এতে খাবার নষ্ট হয় না প্রয়োজন মত খাওয়ার দিলে  মাছ সমস্ত খাবার খেতে পারে যাতে করে মাছ সঠিক মাত্রায় বৃদ্ধি পায়

তেলাপিয়া মাছের আধুনিক চাষ পদ্ধতি

বিজ্ঞানীরা এখন পুকুরের বাইরেও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশের মাছ চাষে যোগ দিয়েছে যার নাম বায়োফ্লক চাষ পদ্ধতি এটি একটি আধুনিক যেখানে উপকারী ব্যাকটেরিয়ারা মাছের বর্জ্যকে প্রোটিনের রূপান্তরিত করে এতে করে পানি পরিবর্তন করতে কম হয় এবং অল্প জায়গায় অধিক মাছ চাষ করা সম্ভব এটি কি যান্ত্রিক

পদ্ধতি যেখানে পানি ফিল্টারের মাধ্যমে বারবার ব্যবহার করা হয় ব্রিটিশ শতভাগ রোগ মুক্ত চাষ নিশ্চিত করে থাকে যাতে করে চাষিরা লাভবান হতে থাকে এবং এতে চাষীদের ক্ষতির মুখে কম করতে হয় তাই বর্তমানে চাষিরা এই পদ্ধতিতে মাছ চাষ করে অনেক লাভবান হয়ে থাকে

তেলাপিয়া মাছের রোগ বালাই ও প্রতিকার


তেলাপিয়া মাছ সাধারণত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন একটি মাছ তবে যদি পুকুরে  মাছের ঘনত্ব বেশি হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে তেলাপিয়া মাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় যার ফলে চাষীদের অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় তাই তেলাপিয়া মাছ চাষ করার ক্ষেত্রে অবশ্যই পুকুরে পরিমাণ মতো মাছের পোনা  ছাড়তে হবে যাতে করে কোনা বেশির কারণে পুকুরের মাছ ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং মারা না যায়

তেলাপিয়া মাছ চাষ করার ক্ষেত্রে যেমন মাছের পরিমাণ ঠিক থাকতে হবে তেমনি সঠিক সময়ে সঠিক পরিমাণে মাছের ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে । যাতে করে মাছের কোন রোগে আক্রান্ত না হয় সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে Streptococcosis এটি একটি ব্যাকটেরিয়ার জনিত রোগ যে রোগের ফলে সাধারণত মাছের চোখ ফুলে যায় বা ভারসাম্যহিক 

এ রোগ থেকে মাছকে মুক্ত করতে হলে অবশ্যই পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়াতে হবে ।সাধারণত যখনই এই রোগ মাছের শরীরে দেখা দেয় তখন মাছ ভোর বেলার দিকে উপরে উঠে খাপি খায় এতে বুঝতে হবে পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে গেছে এবং তখন পানিতে অক্সিজেন ট্যাবলেট ব্যবহার করতে হবে Aerator এই ট্যাবলেটের ফলে পানিতে আবার অক্সিজেনের পরিমাণ সঠিক হবে।

মাছ আহরণ করা ও বাজারজাত করা 

  • আহরণে সঠিক সময়
সাধারণত তেলাপিয়া মাছ আওরনের কিছু সঠিক সময় আছে যে সময়ের তেলাপিয়া মাছ আরোহন করলে মাছের ভালো দাম পাওয়া যায় যার ফলে মাছ চাষী ভালো লাভবান না। সাধারণত চার থেকে ছয় মাসের তেলাপিয়া মাছ বাজার করার কত বড় হয় কারণ এতে করে মাছ সঠিক মাথায় বৃদ্ধি পায় আর এর ফলে প্রতিটি মাছ ২৫০গ্রাম থেকে 500 গ্রাম হারে বৃদ্ধি পায় এবং এর ওজনের ফলে মাছের ভালো দাম পাওয়া যায়।

মাছ-আহরণ-করা-ও-বাজারজাত-করা

  • আহরণের পদ্ধতি
1. জাল দিয়ে আহরণ
  • সাধারণত পুকুরে বড়জাল ব্যবহার করে মাছ ধরা হয় এতে করে মাছের ক্ষতি কম হয়ে থাকে যার ফলে মাছ দীর্ঘ কোণ জীবিত থাকে
2. আংশিক আয়রন
  • পুকুর থেকে বড় মাছগুলো আগে তুলে বাজার জাত করা হয় এতে করে পুকুরের বাকি ছোট মাছগুলো খুব দ্রুত বড় হয় কারণ বড় মাস তুলে দেওয়ার পর ছোট মাছগুলো সঠিক মাত্রায় খাবার পায় যার ফলে বড় মাছ তুলে দেওয়ার পর ছোট মাছগুলো খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
৩. সম্পূর্ণ আহরণ করা
  • সম্পূর্ণ আওরন বলতে সাধারণত বোঝানো হয় পুকুরের সমস্ত মাছ এর সঙ্গে তুলে নেওয়া সাধারণত এই কাজটা করা হয় যখন পুকুরের মেয়াদ শেষ হয়ে যায় বা নতুন করে মা ছাড়া হয় তখন কারণ এতে করে পুকুরের সমস্ত মাছ তুলে না দিলে পরবর্তীতে যে মাছ ছাড়াবে সেগুলো সঠিক মাত্রায় বৃদ্ধি পাবে না এতে করে চাষীর লস হবে
4. মাছ আয়রনের সময় সতর্কতা
  • পুকুর থেকে মাছ আহরণ করার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যাতে করে বাসে বেশি পরিমাণে কোন আঘাত না লাগে কারণ এতে করে মাছের ক্ষতি হবে এবং বাজার করলে ভালো দাম পাওয়া যাবে না। অবশ্যই মাছ পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে নিতে হবে যাতে করে মাছগুলো দেখতে সুন্দর হয়। পরবর্তীতে মাছগুলো খুব দ্রুত বরফ দিয়ে সংগ্রহ করতে হ।

তেলাপিয়া মাছ বাজারজাত করুন

1. বাজারজাত করার ধাপ
  • মাছ পরিস্কার করে ওজন অনুযায়ী আলাদা করে নিতে হবে
  • অবশ্যই আজকের বরফসহ প্লাস্টিক বক্সগুলো গ্রামে সংগ্রহ করতে হবে
  • এবং খুব দ্রুত বাজারে বা পাইকারদের কাছে পাঠাতে হবে
2. বাজারের ধরন
  • স্থানীয় বাজার যেমন গ্রামের হাট বা শহরের মাছের বাজারে পাঠাতে হবে
  • পাইকারি বাজার যেমন বড় আরো বা মাসের মোকাম
  • সুপার শপ বা রেস্টুরেন্টে বড় তেলাপিয়া মাছের বেশি চাহিদা থাকে
3. ভালো দাম পাওয়ার উপায়
  • অবশ্যই মাছ জীবিত বা টাটকা রাখতে হবে
  • পরিষ্কার ও সুন্দর সাইজের মাছ আলাদা করে বিক্রি করতে হবে
  • সরাসরি পাইকার বা ক্রেতার সাথে যোগাযোগ করলে বাসে বেশি লাভ হয়

তেলাপিয়া মাছের বর্তমান গবেষণার ধারা


1. তেলাপিয়ার জিনগত উন্নয়ন

বর্তমানে বিজ্ঞানীরা জেনেটিক প্রযুক্তির ও জিন সম্পাদনা ব্যবহার করে তেলাপিয়ার উন্নত জাত তৈরি করছে যাতে করে চাষিরা অল্প খরচে বেশি লাভবান হতে পারে যেমন।
  • দ্রুত বৃদ্ধি পায় এমন তেলাপিয়ার যার তৈরি
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো
  • খাদ্য কম খেয়ে বেশি ওজন বাড়ে এমন জাত তৈরি
2. উন্নত খাদ্য ও পুষ্টি গবেষণা

মাছের খাদ্য নিয়ে বর্তমানে বিজ্ঞানীরা অনেক গবেষণা করছেন যেমন
  • খাদ্যের প্রোবায়োটিক ও সিনোবায়োটিক ব্যবহার
  • মাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো
  • দ্রুত বৃদ্ধি পায় এটা নিশ্চিত করা
3. রোগ নিয়ন্ত্রণ ও ভ্যাকসিন গবেষণা
  • নতুন ভ্যাকসিন তৈরি করা
  • প্রোবায়োটিক ব্যবহার করে রোগ নিয়ন্ত্রণ করা
  • মাছের শরীরের মাইক্রোবায়োম উন্নয়ন

শেষ বিশ্লেষণঃ লেখক এর মন্তব্য

উপরে যেমন ভাবে বলা হয়েছে আপনারা যদি  সঠিক নিয়ম মেনে তেলাপিয়া মাছ চাষ করতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনারা লাভবান হতে পারবেন কারণ এমন পদ্ধতিতে সচরাচর সবাই তেলাপিয়া মাছ চাষ করতে পারেনা যার পরে অনেকেই তেলাপিয়া চাষ করে অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হয় আর যারা এগুলো নিয়ম মেনে চলাফেরা চাষ করে তারা কখনোই ক্ষতির সম্মুখীন হয় না বরঞ্চ তারা লাভবান হয়ে থাকে তাই সবশেষে বলা যায় সঠিক নিয়মের মাছ চাষ করুন এবং চাষে লাভবান হন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অপূর্ব ৩৬০ এ-র নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Apurbo Kumar
Apurbo Kumar
আমি একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট এবং অপূর্ব ৩৬০ ওয়েবসাইটের এডমিন । আমি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করে থাকি।